পাইলস চিকিৎসায় বহু ধরনের পদ্ধতি রয়েছে । শতকরা নব্বাই জনের ও বেশি রোগীকে বিনা অপারেশনে চিকিৎসা করা সম্ভব । তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে রাবার রিং লাইগেশন পদ্ধতি ।এর পর রয়েছে ইনজেকশন পদ্ধতি ।
১৯৬৯ সালে জন মরগ্যান চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম ইনজেকশনের সাহায্যে পাইলস চিকিৎসা করেন । তিনি পারসালফেট অফ আয়রন ব্যবহার করতেন ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশন পদ্ধতির পাইওনিয়ার হচ্ছেন ডাঃ মিশেন । কিন্তু তিনি আমৃত্যু তার গোপন ঔষধের ফরমূলা প্রকাশ করেননি ।
ডাঃ মিশেন তার মৃত্যুর আগমুহুর্তে তিনি তার গোপন ফর্মূলা বিক্রি করে যান । ১৯৭১ সালে শিকাগোর চিকিৎসক ডাঃ এন্ডুজ প্রথমবারের মতো গোপন ফর্মূলাটি প্রকাশ করে বলেন ,এই ইনজেকশনে ফেলন ব্যবহার করতে হবে । এর পর ফেলনের সাথে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে হয় ।
সতর্কতা
পাইলস ইনজেকশন দেয়ার জন্য বারবার একই সিরিন্জ ব্যবহার করা যাবেনা । কারন একই সিরিন্জ বারবার ব্যবহার করাতে মারত্তক রোগ ছড়াতে পারে । যেমন ,হেপাটাইটিস বি -ভাইরাস যা ধীরে ধীরে লিভারকে ধ্বংস করে এবং এইডস এর মত ভয়াবহ রোগ ছড়াতে পারে । সিরিন্জ জীবানু মুক্ত করে নিতে হবে অথবা একই সিরিন্জ একবারই ব্যবহার করতে হবে ।
ইনজেকশনে কী ব্যবহার করা হয়
এখন ফেলনের সাথে ভেজিটেবল অয়েল ব্যবহার করা হয় । যুক্তরাজ্যে এ ধরনের ঔষধ ব্যবহার করা হয় । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কুইনুরাইড সল্যুশন ব্যবহার করা হয় । ইনজেকশন দেওয়ার সময় রোগীর টের পাওয়ার ও কথা নয় ব্যথাতো দুরের কথা । ইনজেকশনের আগে ও পরে খাওয়া দাওয়া স্বাভাবিক থাকবে ।
ইনজেকশন কতবার দিতে হয় ?
সব পাইলসে একই সাথে ইনজেকশন দেওয়া উচিৎ । এতে যদি রক্ত পড়া বন্ধ না হয় ,তা না হলে অন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিৎ । তবে বারবার মলদ্বারে ইনজেকশন দেয়া ঠিকনা কারন,
এতে মলদ্বারের জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে । একবার ইনজেকশন দিয়ে ভালো না হল ,বারবার ইনজেকশন দিয়ে সুফল পাওয়া যায় না বলে রেকটাম ও মলদ্বার সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞদের ধারনা ।


0 coment rios: