সর্বশেষ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

করোনা মহামারীতে মুমিনদের কর্তব্য

করোনা মহামারীতে মুমিনদের কর্তব্য

মহান আল্লাহ তায়ালা মাঝে মধ্যে তার বান্দাদের ,ভয়,মুসিবত ও বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন । এ সময় মুমিনেরা আক্ষেপ - বিচলিত ও দুঃখ পাবেনা । মহান আল্লাহ তায়ালা এ পরিস্থিতে তার বান্দাদেরকে ধৈর্য্যধারন করতে বলেছেন । পবিত্র আল কুরআনে বর্নিত হয়েছে, আর আমি তোমাদেরকে অবশ্যই পরীক্ষা করবো, কিছু ভয়, ক্ষুধা জান মাল এবং ফলফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে । আর হে নবী আপনি ধৈর্যশীলদেরকে সুসংবাদ দিন । সূরা আল বাক্বারা, আয়াত-১৫৫ ।

 
প্রথমত মনে রাখতে  হবে পৃথিবীতে যত প্রকারের বালা মুছিবত আসে সবই মানুষের কৃতকর্মের জন্য আসে । এব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ,মানুষের কৃতকর্মের কারনে ,জলে ও স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে । যার ফলে তাদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি তিনি তাদের আস্বাদন করান যাতে তারা ( তাদের কৃতকর্ম থেকে ) ফিরে আসে । সূরা রুম আয়াত ৪১ ।

মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্দ ( সঃ ) বলেছেন , যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে ,তখন সেখানে মহামারী আকারে প্লেগের ( মহামারী ) প্রাদুর্ভার ঘটে । তাছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয় , যা আগেরকার লোকদের মধ্য কখনো দেখা যায়নি । ইবনে মাজাহ ।

হযরত আয়শা ( রাঃ) থেকে বর্নিত , তিনি প্লেগ সম্পর্কে রাসূল ( সঃ ) কে জিজ্ঞাসা করলেন , আল্লাহর নবী ( সঃ ) বললেন , এটি হচ্ছে এক ধরনের শাস্তি । আল্লাহ যার ওপর  পাঠাতে ইচ্ছা করেন পাঠান । কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা মহামারীকে মুমিনদের জন্য রহমত বানিয়েছেন । অতএব প্লেগে কোনো বান্দা যদি ধৈর্য্য ধারন করে । এবং এ বিশ্বাস নিয়ে যদি শহরে অস্থান করতে থাকে ,মহান আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারন করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোনো বিপদ তার উপর আসবে না । তাহলে সেই বান্দা শহীদের মর্যদা লাভ করবে । বুখারী । অতএব মহামারীতে বিচলিত না হয়ে, ধৈর্য্য ও আল্লাহ রহমত কামনার মধ্যে তা কাটিয়ে মুমিনের কর্তব্য ।

মহামারীতে করনীয়
যে কোনো বিপদ - আপদে বান্দা তার পাপের মহান আল্লাহ পাকের নিকট ক্ষমা প্রর্থনা করবে এবং শেষ আশ্রয় হিসেবে তারই নিকট ফিরে আসবে , এটাই মহান আল্লাহ তায়ালার প্রত্যাশা । আল কোরআনের একাধিক স্থানে বিপদে আল্লাহ মুখী হওয়ার নির্দেশ রয়েছে । তাই মহামারীর সময় মুমিনের প্রধান কাজ হলো , নিজের গুনাহের জন্য বিনীত হয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে মহান আল্লা্হর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা । 

আল্লাহ বলেন , আমি তাদের শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করলাম ,কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের প্রতি বিনয়াবনত হলো না এবং কাতর প্রর্থনা ও করলোনা । সূরা মুমিনুন, আয়াত-৭৬ ।

বেশির ভাগ মাহামারীই সংক্রামক । তাই মহানবী ( সঃ ) মহামারী সংক্রামনরোধে ,আক্রান্ত অঞ্চলে যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন । তাই মুমিন বান্দারা ঈমান ও আন্তরিকতার সাথে ধৈর্য্য ধারন করবে ।  মহানবী ( সঃ ) বলেছেন, কোথাও মহামারী দেখা দিলে আর তোমরা সেখানে অবস্থান করলে, সেখান থেকে তোমরা চলে এসোনা, আর যে অঞ্চল মহামারীতে আক্রান্ত সে অঞ্চলে তোমরা যেওনা । তিরমিজি ।


মহামারীতে যে দুয়া পড়তে হবে
হযরত আনাস ( রাঃ ) থেকে বর্নিত - রোগব্যাধী থেকে বাচার জন্য রাসূল (সঃ) পড়তেন, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারছী, ওয়াল  জুনুনি ওয়াল জুজামি ওয়া মিন ছাই ইল আসকাম ।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক আমিন।
ডিবি কর্মকর্তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

ডিবি কর্মকর্তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

 
হতদরিদ্র নিঃসন্তান গৃহনীন কাচুয়ানী বেওয়া ( ৮২ )-কে ঘর নির্মান করে দিয়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত দেখালেন পুলিশ কর্মকর্তা আহসান খান । ২৩ বছর আগে ব্রক্ষপুত্র নদের করাল গ্রাসে ভিটেমাটি হারিয়ে ভিক্ষা করে জীবন চলত কাচুয়ানী বেওয়ার । শেষ আশ্রয় হয় জেলার উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ের বালারচর গ্রামের হতদরিদ্র দিন মজুর ভাগ্নে আব্দুস সামাদের দেওয়া একটি ঝুপড়ি ঘড়ে । ভিক্ষা করার সময় গত ৪ বছর আগে হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় হাটা চলার শক্তি হারিয়ে ফেললে ভিক্ষা করা করাও বন্ধ হয়ে যায় ।

 
এর পর  অসুস্থ অবস্থায় ঝুপড়ি ঘরে বসে খেয়ে না খেয়ে কোনো রকম জীবন কাটছিল তার । চিকিৎসা ও খাবার সংকটে নির্ঘুম রাত কাটত তার । গরমের দিনে ঝুপড়ি ঘরের বেড়ার ফাক দিয়ে বাতাস প্রবেশ করলে ও শীতকালে দূর্দশার শেষ ছিলনা তার । কারন শীতবস্ত্র বলতে তার কিছুই ছিলনা্ । বৃষ্টি হলে ভিজে যেত তার ঝুপড়ি ঘরের সম্বলটুকু ।

এ ছাড়া সরকারের দেওয়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বয়ক্স কিংবা বিধবা - ভাতা ও জোটেনি তার কপালে । অসহায় বৃদ্ধা কাচুয়ানী বেওয়ার এমন দুর্বিষহ জীবন কাহিনি গত ২ এপ্রিল পত্রিকা ও অনলাইনসহ সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই ঢাকা মহানগর ডিবির এডিসি মোঃ আহসান খানের নজরে আসে ।

তিনি তৎক্ষনাৎ স্থানীয় এক সাংবাদিকের মাধ্যমে প্রথমে ১৫ দিনের খাবার পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন ।
এর পর ঐ ডিবি কর্মকর্তা অর্ধলক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে একটি টিনশেড ঘর ও থাকার বিছানাপত্রসহ প্রয়োজনীয় সরজ্ঞাম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কাচুয়ানী বেওয়ার কাছে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয় ।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০

পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব

পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব

মহান আল্লাহ তায়ালা মানব জাতিকে সৃস্টি করেছেন এক মাত্র তার ইবাদত করার জন্য । তাই তিনি পবিত্র আল কোরআনে জানিয়ে দিয়েছেন, আমি জীন ও মানব জাতিকে সৃস্টি করেছি এক মাত্র আমার ইবাদতের জন্য । তাই সিয়াম বা রোজা মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ন ইবাদত। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ফরমাইয়াছেন- হে ঈমানদারগন আমি তোমাদের উপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করিয়াছি ,যেমনি তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিল । যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো । ( বাক্বারা - ১৮৫ ) ।


সিয়াম বা রমজান এর অর্থ
সিয়াম হলো আরবি শব্দ, এর আভিধানিক অর্থ হলো- বিরত থাকা, দূরে থাকা ।

পারিভাষিক অর্থ হলো- সিয়ামের নিয়তে সুবহে সাদিক অর্থাৎ ফজরের আযানে একটু আগ থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো কিছু পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও যাবতীয় খারাব কাজ থেকে দূরে থাকা বা বিরত থাকা । 

সিয়াম বা রমজানের গুরুত্ব
সিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ন ফরজ ইবাদত । এর জন্য সীমাহীন বিনিময় রয়েছে । এটি এমন একটি ইবাদত যার প্রতিদান মহান আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে তার প্রিয় বান্দাদেরকে প্রদান করিবেন । সিয়াম ব্যতীত পৃথিবীতে এমন কোন ইবাদত নেই যার প্রতিদান মহান আল্লাহ তায়ালা নিজে দিবেন । 

সিয়াম সম্পর্কে হযরত আবু সাঈদ খুদরী ( রাঃ ) আনহু বলেন- হযরত নবী করিম (সঃ) বলছেন, যে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য একদিন সিয়াম পালন করবে, মহান আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে তার নিকট হতে ১০০ বছরের পথ দূরে করে দিবেন । (সিলসিলা ছহীহাহ ২২৬৭/২৫৬৫)

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) আনহু বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, যখন রমজান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, আর জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সমস্ত শয়তানকে শৃংখলিত করা হয় । (সিলসিলা ছহীহাহ হা ২২০৭/১৩০৭)

সাহারী খাওয়া সম্পর্কে হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্নিত তিনি বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, তোমরা সাহারী খাও, কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে । মুুত্তাফাক্ব আলাইহ, বাংলা মিশকাত হা/১৮৮৫

হযরত আবু  হুরায়ারা ( রাঃ ) বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, সিয়াম হচ্ছে ঢাল স্বরুপ এবং জাহান্নাম থেকে বাচার একটি স্থায়ী দুর্গ । আত-তারগীব হা-১৩৮২ । 

সর্বোপরি কথা হলো, প্রত্যেক সুস্থ বালেগ ও বালেগা মুসলমান বান্দা এবং বান্দীদের উচিৎ মাহে রমজানের প্রত্যেকটি রোজা রাখা উচিৎ । আল্লাহ আমাদের সকলকে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার তৌফিক দান করুক আমিন ।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০

মাত্র ৩ টি কাজ করলেই ক্যান্সার থেকে মুক্তি মিলবে ইনশাআল্লাহ

মাত্র ৩ টি কাজ করলেই ক্যান্সার থেকে মুক্তি মিলবে ইনশাআল্লাহ

২০১৭ এক হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রতি বছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যু বরন করে । আর প্রতিদিন নতুন করে ৩৩৪ জন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে । এর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয় ৭০ ভাগ মানুষ । অথচ মাত্র ৩ টি কাজ বিষয়ে  সচেতন হলেই ক্যান্সার থেকে অনেকটাই দূরে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা ।

 
ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভর্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরনব্যাধি নয় কিন্তু মানুষ এ রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারনে । তার মতে মাত্র তিনটি উপায় অনুসরন করলেই উধাও  হবে ক্যান্সার ইনশাআল্লাহ ।

উপায় গুলো হলো
১) প্রথমে সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন । কেননা , শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে ।

২) এর পর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন । টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন । উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার । মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন - এর একটি গবেষনায় বলা হয়েছে , কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুন ভালো ।

৩) প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান , ক্যান্সার সেরে যাবে ,ইনশা আল্লহ । চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহন করুন । ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবেনা তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই ।

আরো কিছু খাবার নিম্নে দেওয়া হল
১. বাদাম- বাদাম ভিটামিন ই এর সবথেকে ভালো উৎস । ভিটামিন ই সমৃদ্ধ চিনাবাদাম কোলন , ফুসফুস , যকৃত , এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুকি কমায় । সকালে কিংবা বিকালের খাবারে বাদাম রাখুন ।

২. বাতাবিলেবুু- বাতাবিলেবু, কমলালেবু, ব্রোকলি এই সব কিছুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন সি ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী নাইট্রোজেন যৌগের গঠন রোধ করে । বাতাবিলেবু, কমলালেবু, ব্রোকলি এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ অন্যান্য ফল খাদ্যনালী, মূত্রাশয়, স্তন ক্যান্সার সার্ভিকাল ক্যান্সার এবং পেট  ও কোলন ক্যান্সারের ঝুকি কমায় ।

৩. মিষ্টি আলু- মিষ্টি আলু বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি । গবেষনায় দেখা যায় উচ্চ মাত্রায় বিটা ক্যারোটিন শরীরে থাকলে তা কোলন, স্তন, পেট ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুকি কমায় ।

৪. হলুদ- হলুদের মধ্যে বিদ্যমান সবথেকে সক্রিয় একটি উপাদান যা 'কারকিউমিন' নামে পরিচিত প্রদাহজনিত সমস্যা বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উভয়  উভয় হিসাবে কাজ করে । এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশে করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে । শরীরকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করতে চাইলে কাচা হলুদ খেতে পারেন । অথবা মাছ মাংশের সাথে প্রয়োজন মত ব্যবহার করতে পারেন । 

৫. চা- চায়ে রয়েছে ক্যাটচীন নামক একটি যৌগ । এ যৌগটি মানবদেহকে ক্যান্সারের আক্রমন থেকে রক্ষা করে । সম্প্রতি চীনের একটি গবেষনায় দেখা গেছে যারা চা পান করেন তাদের ফুসফুস , প্রস্টেট , কোলন এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি যারা চা পান করেন না্ তাদের থেকে অনেক কম । চায়ের মধ্যে সবুজ চা ( গ্রিন টী ) ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য সবথেকে কার্যকর ।

৬. বেদানা- বেদানায় রয়েছে 'এলাজিক অ্যাসিড 'এই অ্যালাজিক এ্যাসিড শরীরে ক্যান্সারের জন্য দায়ী যৌগকে নিস্ক্রিয় করে ও ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি বন্ধ করে । যেকোনো উপায়ে হোক আজ থেকেই পরিবারের সবাইকে বেদানা খাওয়ানোর জন্য উৎসাহী করুন ।

৭. টমেটো -ক্লিনিক্যাল অনকোলজি জার্নালে ২০০৯ সালে প্রকাশিত গবেষনায় দেখা যায় টমেটো 'লাইকোপিন' 'নামক ক্যান্সার প্রতিরোত করে । তাই পুরুষ মহিলা প্রতেকের সপ্তাহে  কমপক্ষে তিনটি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা অত্যন্ত জরুরী ।

কিডনীর পাথর থেকে বাচতে হলে শুধু ২ টি কাজ করতে হবে
আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি । এছাড়া ও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্য ও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে । কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া ।
 
কিন্তু কি কি কারনে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কিডনিতে পাথর কারন সম্পর্কে যা হয়তো আপনার জানা নেই । কাচা লবন খাবেন না 'অনেকেই খাবার লবন খান যা স্বাস্হ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর । কারন লবনের সোডিয়াম খুব সহজে কিডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনীতে । তাই আমরা কাচা লবন খাওয়া পরিহার করি ।

পানি পান করুন কিডনির কাজ হচ্ছে দেহের বর্জ্য ছেকে দেহকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে পানির সহায়তায় । যদি আপনি পরিমান মত পানি পান না করেন তাহলে কিডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারবে না , যা কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে । সুতরাং পরিমিত পানি পান করুন ।

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০

হে ফিভার বা অনবরত হাচি ।

হে ফিভার বা অনবরত হাচি ।

হে ফিভার বা অ্যালার্জি হলে সেই রোগীর অধিক পরিমান হাচি হতে পারে । নাক দিয়ে সব সময় পানির মতো পড়তে থাকে এবং নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং শ্বস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় । এ রোগের উৎপত্তি সাধারনত ধূলাবালি থেকে ফুলের রেনু , তুলার আশ , বা রোগীর যেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয়ে থাকে । এই অ্যালার্জির কারনে অনবরত হাচি হতে থাকে ।

বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগীদের এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায় । অর্থাৎ আমাদের দেশে বিশেষ ঋতুতে বিশেষ কোনো ফুল যেমন হতে পারে ঘাস ফুল ,সরিষা ফুল ইত্যাদি , এ ফুলের রেনু বাতাসের সঙ্গে মিশে নিঃশ্বাসের সঙ্গে মানুষে শরীরে প্রবেশ করে ও এলার্জির সৃষ্টি হয় । সাধারনত ঘাস ফুলের রেনু থেকে বেশি এলার্জি হয় ।

অনেক খাবার থেকে বা ধুলাবালি থেকে এলার্জি হয় , এ গুলো প্রায় সারা বছরই এ রোগের উপসর্গ হিসেবে দেখা যায় এ রোগের নাম হে ফিভার হলে ও এলার্জির কারনে হাচিতে জ্বর হয় না । কোন জিনিস থেকে এ রোগের সূত্রপাত হয় সেটা আগে নির্নয়ের চেষ্টা করতে হবে ।এরপর সাধারনত সেসব জিনিস থেকে একটু  দূরত্ব বজায় রাখলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।

হে - ফিভার এর লক্ষন ।

হে - ফিভার রোগ হলে রোগীর মধ্যে যেসব লক্ষন  দেখা দিতে পারে ,যেমন -

রোগীর চোখ চুলকায় এবং নাকের মধ্যে শিরশির করে ।

নাক দিয়ে পানি পানি পড়তে থাকে এবং বারবার হাচি আসে

মুখচোখ ফুলাফুলা থাকে এবং চোখ লাল হয়ে যায় ।

কোন জ্বর থাকেনা ।

পরামর্শ 
রোগীকে সতর্কতার চলাফেরা করতে হবে যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে । হাচি এবং নাকের পানি বন্ধ করার জন্য রোগীকে ক্লোরফেনিরামিন মেলিয়েট জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পার । ট্যাব ,আকারে যেগুলো দেওয়া হয় যেমন - হিস্টাসিন , পিরিটন ,হিস্টাল ইত্যাদি এবং যারা ট্যাব , খেতে পারেনা তাদের জন্য সিরাপ ও পাওয়া যায় । প্রতিদিন এক বা দুই চামচ করে তিনবার খাওয়ানো যাবে । 

অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম মোস্তাফা হোসেন , বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ,মেডিনোভা , মালিবাগ ঢাকা

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০

বাঙ্গালী জাতির কর্ণধর বঙ্গবন্ধুর কাটানো কিছু মুহুর্ত

বাঙ্গালী জাতির কর্ণধর বঙ্গবন্ধুর কাটানো কিছু মুহুর্ত

যদি রাত পোহালেই শোনা যেতো , বঙ্গ বন্ধু মরে নায় ।

বাঙ্গালী জাতি হারিয়েছে , তার শ্রেষ্ঠ সন্তান ।

প্যাদা গ্রুপের পক্ষ থেকে ,

 জন্মশতবার্ষিকির লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ।