বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগীদের এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায় । অর্থাৎ আমাদের দেশে বিশেষ ঋতুতে বিশেষ কোনো ফুল যেমন হতে পারে ঘাস ফুল ,সরিষা ফুল ইত্যাদি , এ ফুলের রেনু বাতাসের সঙ্গে মিশে নিঃশ্বাসের সঙ্গে মানুষে শরীরে প্রবেশ করে ও এলার্জির সৃষ্টি হয় । সাধারনত ঘাস ফুলের রেনু থেকে বেশি এলার্জি হয় ।
অনেক খাবার থেকে বা ধুলাবালি থেকে এলার্জি হয় , এ গুলো প্রায় সারা বছরই এ রোগের উপসর্গ হিসেবে দেখা যায় এ রোগের নাম হে ফিভার হলে ও এলার্জির কারনে হাচিতে জ্বর হয় না । কোন জিনিস থেকে এ রোগের সূত্রপাত হয় সেটা আগে নির্নয়ের চেষ্টা করতে হবে ।এরপর সাধারনত সেসব জিনিস থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
হে - ফিভার এর লক্ষন ।
হে - ফিভার রোগ হলে রোগীর মধ্যে যেসব লক্ষন দেখা দিতে পারে ,যেমন -
রোগীর চোখ চুলকায় এবং নাকের মধ্যে শিরশির করে ।
নাক দিয়ে পানি পানি পড়তে থাকে এবং বারবার হাচি আসে
মুখচোখ ফুলাফুলা থাকে এবং চোখ লাল হয়ে যায় ।
কোন জ্বর থাকেনা ।
পরামর্শ
রোগীকে সতর্কতার চলাফেরা করতে হবে যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে । হাচি এবং নাকের পানি বন্ধ করার জন্য রোগীকে ক্লোরফেনিরামিন মেলিয়েট জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পার । ট্যাব ,আকারে যেগুলো দেওয়া হয় যেমন - হিস্টাসিন , পিরিটন ,হিস্টাল ইত্যাদি এবং যারা ট্যাব , খেতে পারেনা তাদের জন্য সিরাপ ও পাওয়া যায় । প্রতিদিন এক বা দুই চামচ করে তিনবার খাওয়ানো যাবে ।
অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম মোস্তাফা হোসেন , বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ,মেডিনোভা , মালিবাগ ঢাকা


0 coment rios: